ঢাকাশনিবার , ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
  1. অগ্নিকাণ্ড
  2. অন্যান্য
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আবহাওয়া
  8. ইসলাম
  9. কর্পোরেট
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খুলনা
  14. খেলাধুলা
  15. চট্টগ্রাম

কারাফটকে স্ত্রী-সন্তানের লাশ দেখলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা

রাজনীতির অন্তরালে
জানুয়ারি ২৪, ২০২৬ ৮:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজনৈতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ কারাফটকে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে শেষবারের মতো স্ত্রী-সন্তানের মুখ দেখেন তিনি।

কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে সাদ্দামের পরিবারের ছয় সদস্যকে কারাফটকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। স্ত্রী-সন্তানকে দেখতে সাদ্দামকে মিনিট পাঁচেক সময় দেওয়া হয়।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন সাদ্দাম। বর্তমানে তিনি যশোর কারাগারে রয়েছেন।

গত শুক্রবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙ্গা গ্রামের একটি বাড়ি থেকে সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর পাশেই নিথর পড়েছিল ৯ মাসের শিশু নাজিম।

পুলিশ ও সাদ্দামের পরিবারের দাবি, হতাশাগ্রস্ত হয়ে শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন স্বর্ণালী।

পুলিশ জানায়, সুবর্ণা স্বর্ণালীকে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলে থাকা অবস্থায় এবং ছেলেকে মেঝে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে সাদ্দামের স্বজনরা আসেন। সব কার্যক্রম শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পরিবারের ছয় সদস্যসহ লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি কারাগারে প্রবেশের অনুমতি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

সাদ্দামের চাচাতো ভাই সাগর ফারাজী বলেন, ‘সাদ্দামের স্ত্রী সন্তান মারা যাওয়ার পর আমরা কারাগারে যোগাযোগ করি। কিন্তু মুক্তি দেওয়া হয়নি। উনি তো হত্যা মামলার আসামি না। রাজনৈতিক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। মুক্তি না পাওয়ায় আমরা অনেকেই এসেছি কারাগারে। কিন্তু ছয়জনের বেশি প্রবেশ করতে দেয়নি।’

সাদ্দামের শ্যালিকা কারাফটকে আহাজারি করতে করতে বলেন, ‘সে তো খুনি না। রাজনৈতিক মামলা। তাও প্রশাসন তাকে ছাড়ল না। সাদ্দাম আমার দুলাভাই না, বড় ভাই ছিল।’

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বলেন, কারাফটকে লাশ নিয়ে আসার পর আমরা ছয়জনকে প্রবেশ করতে দিই। সাধারণত অনুমতি না নিলেও কোনো কারাবন্দির স্বজন মারা গেলে, তার মরদেহ যদি স্বজনরা কারাফটকে আনেন, তাহলে আমরা মানবিক দিক বিবেচনা করে দেখতে দেই।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাদ্দামের প্যারোলে মুক্তির জন্য তার পরিবারের সদস্যরা বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কোনো লিখিত আবেদন জমা দিতে পারেননি তারা। পরে পারিবারিকভাবে মরদেহ দুটি যশোরে নিয়ে গিয়ে তাকে দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, যেহেতু সাদ্দাম যশোর কারাগারে রয়েছেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি যশোর জেলা প্রশাসনের এখতিয়ার। আইনগত কারণে এখানে আমাদের কিছু করার ছিল না।

এ দিকে শনিবার রাত ১১টার পরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে জানাজা শেষে কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী ও ছেলে নাজিমকে পাশাপাশি দাফন করা হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।